প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে ২৪টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ১৫৭টি প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন।

মঙ্গলবার (১৪ নভেম্বর) গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন সরকারপ্রধান। এসব প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৯৭ হাজার ৪৭১ কোটি ৩ লাখ টাকা। এ প্রকল্পগুলো উদ্বোধনের সময় গণভবনে মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, সংসদ সদস্য ও সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। আর ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দেশের ৬৪টি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়সহ দেশব্যাপী ১০১টি প্রান্তে সুবিধাভোগীরা যুক্ত ছিলেন।

সিলেট, বরিশাল, রংপুর ও যশোর সহ সারাদেশ জুড়ে ১৫৭টি প্রকল্পের প্রকল্পের আওতায় ১০ হাজার ৪১টি অবকাঠামোর রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী প্রকল্পগুলো উদ্বোধনের সময় বলেন, আমরা জনগণের ভোটেই বারবার নির্বাচিত হয়ে এসেছি। দীর্ঘসময় সরকারে থাকার কারণেই আমরা যেভাবে উন্নয়ন পরিকল্পনা করেছিলাম সেভাবে করতে পেরেছি। বাংলাদেশকে দেখে এখন আর কেউ বলতে পারবে না এ দেশ দরিদ্র দেশ, প্রাকৃতিক দুর্যোগের দেশ, হাত পেতে চলার দেশ। আমরা এখন একটা মর্যাদাশীল দেশে পরিণত হয়েছি। বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের রোল মডেল।

শেখ হাসিনা আরো বলেন, একটি উন্নত সমৃদ্ধ দেশে পৌঁছানোর জন্য পরিকল্পিত উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। এই উন্নয়নের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে হবে।

অবকাঠামোগত প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন শিক্ষা প্রকৌশল অধিদফতর নির্মিত বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১ হাজার ২৫৯টি ভবন; প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের আওতাধীন ২ হাজার ২৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবনসহ বিভিন্ন সরকারি স্থাপনা; নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন চট্টগ্রাম বন্দর, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ), বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) এবং বাংলাদেশ স্থলবন্দরের ১৫টি উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন প্রভৃতি।

৬টি মন্ত্রণালয়ের অধীনে ১৫টি প্রকল্প নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন সংস্থা বাস্তবায়ন করছে বলে মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।