সীন্দবাদ ডেস্ক :: শুধুমাত্র কক্সবাজার এক্সপ্রেস হতে ডিসেম্বর মাসে সব মিলিয়ে ৫ কোটি ১১ লাখ ৫৭ হাজার ২৪০ টাকা আয় করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। রেলের অপারেশন শাখা থেকে এ তথ্য জানা যায়।

বাংলাদেশ রেলওয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন) সরদার সাহাদাত আলী জানায়, চলাচল শুরুর পর থেকে কক্সবাজার এক্সপ্রেস নিয়ে পর্যটকদের ব্যাপক আগ্রহ লক্ষ করা গেছে। চাহিদার তুলনায় ট্রেনটির আসন কম হওয়ায় অনেকেই ট্রেনটির টিকিটও পাচ্ছেন না। এমন প্রেক্ষাপটে যাত্রী চাহিদার কথা বিবেচনায় নিয়ে এই রুটে আরেকটি নতুন ট্রেন পরিচালনার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
পর্যটক এক্সপ্রেস নামের নতুন এই ট্রেনটি ১০ জানুয়ারি থেকে চলাচল শুরু করবে। জানা যায়, পর্যটক এক্সপ্রেস নামের নতুন ট্রেনটিতে ১৬টি কোচে ৭৮৫টি আসন থাকবে। ঢাকা-কক্সবাজার-ঢাকা রুটের এই ট্রেন চালানো হবে কোরিয়া থেকে আমদানি করা নতুন কোচ দিয়ে। ট্রেনটির সাপ্তাহিক ছুটি রোববার।

ডিসেম্বর মাসে কক্সবাজার এক্সপ্রেস ট্রেনে ঢাকা থেকে কক্সবাজার রুটে সব মিলিয়ে ৩০ হাজার ১৫৫টি টিকিট বিক্রি হয়। শোভন চেয়ার ও এসি চেয়ার শ্রেণীর এসব টিকিট থেকে রেলের আয় হয়েছে ২ কোটি ৫৫ লাখ ৩৮ হাজার ৪৫৫ টাকা এবং কক্সবাজার থেকে ঢাকা রুটে টিকিট বিক্রি হয় ৩০ হাজার ৩৭০টি। আয় হয় ২ কোটি ৫৬ লাখ ১৮ হাজার ৭৮৫ টাকা।

পর্যটক এক্সপ্রেস (৮১৫) কক্সবাজার থেকে রাত ৮টায় ছেড়ে ঢাকার কমলাপুর আসবে ভোর সাড়ে ৪টায়। মাঝে রাত ১০টা ৫০ মিনিটে চট্টগ্রামে থামবে। সেখানে ২৫ মিনিট বিরতি দিয়ে রাত ১১টা ১৫ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশে ছাড়বে এবং রাত ৩টা ৫০ মিনিটে ঢাকা বিমানবন্দর স্টেশনে পৌঁছবে। অন্যদিকে ঢাকার কমলাপুর থেকে পর্যটক এক্সপ্রেস (৮১৬) ছেড়ে যাবে ভোর ৬টা ১৫ মিনিটে। কক্সবাজার স্টেশনে পৌঁছবে বেলা ৩টায়। যাত্রাকালে বিমানবন্দর স্টেশন থেকে ভোর ৬টা ৪৩ মিনিটে ছেড়ে বিরতিহীনভাবে চট্টগ্রামে পৌঁছবে বেলা ১১টা ২০ মিনিটে। সেখানে ২০ মিনিট বিরতি দিয়ে বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে ছাড়বে।