চলতি মৌসুমে ১৬ লাখ টন পেঁয়াজের আমদানির সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও আমদানি করা হয়েছে মাত্র ৭ লাখ টন। দেশে অসময়েও প্রচুর পরিমাণ পেঁয়াজ উৎপাদন করা হচ্ছে।
শনিবার (২৫ নভেম্বর) মেহেরপুর সদর উপজেলার ইছাখালীর মাঠে গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ নাসিক এন-৫৩ মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে বক্তব্যকালে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বাদল চন্দ্র বিশ্বাস এ তথ্য জানান।
অনুষ্ঠান চলাকালীন সময়ে তারা গ্রীষ্মকালীন নাসিক এন-৫৩ জাতের পেঁয়াজের খেত ঘুর দেখেন।
কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব ওয়াহিদা আক্তার বলেন, পেঁয়াজের আমদানি নির্ভরতা কমাতে সারা বছর পেঁয়াজ উৎপাদনের চেষ্টা করছে সরকার। চলতি মৌসুমে গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ নাসিক এন-৫৩ জাতের বীজ কৃষকদের মাঝে সরবরাহ করা হয়েছিল। যা থেকে ভালো ফলন পাচ্ছে কৃষকেরা।
কৃষিসচিব বলেন, ‘চলতি মৌসুমে একটু দেরিতে চাষিদের মাঝে এ জাতের পেঁয়াজের বীজ বিতরণ করা হয়েছিল। ভবিষ্যতে জুন মাসের প্রথমেই চাষিদের মাঝে এ পেঁয়াজের বীজ বিতরণ করা হবে। যাতে কৃষকেরা ভালো দাম পায়।’
এক কেজি পেঁয়াজ উৎপাদন করতে কৃষকদের খরচ হয় ৩৪ টাকা। ভোক্তা পর্যায়ে পেঁয়াজের দাম যাতে ৬০ থেকে ৭০ টাকার মধ্যে থাকে, সে চেষ্টাই করছে মন্ত্রণালয়।’
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, জেলা প্রশাসক শামীম হোসেন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর উপপরিচালক বিজয় কৃষ্ণ হালদারসহ এ অঞ্চলে বেশ কয়েকটি জেলার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালকেরা উপস্থিত ছিলেন







