সীন্দবাদ ডেস্কঃ আসন্ন রমজান মাসকে কেন্দ্র করে রোজার পণ্য আমদানির জন্য পর্যাপ্ত ঋণপত্র (এলসি) খুলেছে বাংলাদেশ ব্যাংক এবং ডলার সংকটের কারণে এলসি খুলতে না পারার জটিলতাও ভিত্তিহীনবলে মন্তব্য করেছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র মো. মেজবাউল হক।
২ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) বাংলাদেশ ব্যাংকে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে দেশের আমদানি পরিস্থিতি নিয়ে এই মন্তব্য করেন তিনি।
নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্য যেমন খেজুর, পেঁয়াজ, চিন, ভোজ্যতেল সহ যেসব ভোগ্যপণ্যের চাহিদা বেশি থাকে সেগুলোর পর্যাপ্ত এলসি খোলা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মেজবাউল হক। তিনি বলেন, ‘২০২২ সালের জানুয়ারিতে দেশে চিনি আমদানির এলসি খোলা হয়েছিল ৫ লাখ ১১ হাজার ৪৯২ টন। চলতি বছরের জানুয়ারিতে ৫ লাখ ৬৫ হাজার ৯৪১ টন চিনি আমদানির এলসি খোলা হয়েছে। গত বছরের জানুয়ারিতে ভোজ্যতেল আমদানির এলসি খোলা হয়েছিল ৩ লাখ ৫২ হাজার ৯৫৯ টন। চলতি বছরের জানুয়ারিতে ৩ লাখ ৯০ হাজার ৮৫৩ টন ভোজ্যতেল আমদানির এলসি খোলা হয়েছিল। একইভাবে বেশি খোলা হয়েছে ছোলা ও পেঁয়াজের এলসিও। গত জানুয়ারিতে খেজুর আমদানির এলসি খোলা হয়েছে ২৯ হাজার ৪৮১ টন। ২০২২ সালের জানুয়ারিতে ১৬ হাজার ৪৯৮ টন খেজুর আমদানির এলসি খোলা হয়েছিল।’
চাহিদা অনুযায়ী পর্যাপ্ত এলসি খোলা হয়েছে। রমজান শুরুর আগে এসব এলসির পণ্য দেশে আসবে। সরবরাহ ও শৃঙ্খলা ঠিক থাকলে রমজানে ভোগ্যপণ্যের দাম বাড়ার কোনো আশঙ্কা নেই বলে জানান তিনি।
এ সময় তিনি আরো বলেন দেশের ব্যাংক খাতে এলসি খোলা সম্ভব হচ্ছে না এটা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। কোনো ব্যাংকের কাছে আমদানির দায় মেটানোর ডলার সংকট থাকলে সেটা ভিন্ন বিষয়। কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংক এলসির দায় মিটাতে সকল ব্যাংকের কাছে ডলার বিক্রি করছে।
চলতি অর্থবছরের প্রথম সাত মাসেই বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ থেকে বিক্রি করা হয়েছে ৯২০ কোটি ডলার। দেশের ইতিহাসে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে এর আগে কখনই এত পরিমাণ ডলার বিক্রি করতে হয়নি।







