গেছে এক বছরে যুক্তরাজ্যে সাড়ে ৫ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি মূল্যের পণ্য রপ্তানি করেছে বাংলাদেশ, যা যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানির দিক থেকে সর্বোচ্চ।
রপ্তানি পণ্যের মধ্যে কমপক্ষে ৯১ শতাংশই হচ্ছে পোশাক খাত থেকে। এছাড়া টেক্সটাইল, মৎস্য, বাইসাইকেলসহ বিভিন্ন ধরনের অতি নগণ্য সংখ্যক পণ্য যুক্তরাজ্যে রপ্তানি করা হয়।

সোমবার (২৬ নভেম্বর) ব্রিটেনে সফররত এফবিসিসিআই সভাপতি মাহবুবুল আলম যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশি হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনিমের সঙ্গে দেখা করার সময় এসকল তথ্য জানান সাইদা মুনা।

চায়না প্লাস ওয়ান নীতির সুযোগ কাজে লাগিয়ে যুক্তরাজ্যে পণ্য রপ্তানি বাড়াতে বাংলাদেশ হাইকমিশন কাজ করছে। কৃষিজাত পণ্য, আনারসসহ বিভিন্ন ধরনের ফল রপ্তানির ওপরও জোর দিচ্ছে যুক্তরাজ্যের বাংলাদেশ হাইকমিশন।

বর্তমানে রপ্তানি খাতের মধ্যে তৈরি পোশাকশিল্পে নির্ভরশীলতা অর্থনীতির জন্য ভালো দিক না উল্লেখ করে বক্ত্ারা টেকসই উন্নয়ন ও অর্থনীতিকে বেগবান করতে পোশাকশিল্পের বাইরে অন্যান্য পণ্যের উৎপাদন ও নতুন নতুন বাজার সন্ধানে কাজ করতে আহবান জানান।

রপ্তানি বৈচিত্র্যকরণের লক্ষ্যে যুক্তরাজ্যে কৃষিজাত পণ্য, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাটজাত পণ্য, ফুল ও ফল রপ্তানিতে গুরুত্ব আরোপের কথা বলেন।

বাংলাদেশের তৈরি পণ্য মূলধারার বাজারে আনার কী ধরনের পণ্য আসছে এবং সেসব পণ্যের উৎস কোথায়, কী ধরনের চাহিদা রয়েছে—সেগুলো বিশ্লেষণ করে পদক্ষেপ নিলে সেটি দেশের রপ্তানি বাড়াতে সাহায্য করবে বলে আশাবাদি।

বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বাস্তবায়নে প্রতিটি ব্যবসায়ীকে এগিয়ে আসতে হবে। বাংলাদেশের রপ্তানি আয় বৃদ্ধির পাশাপাশি দেশে-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের নিয়ে আসার বিষয়েও বাংলাদেশি হাইকমিশনের সহযোগিতা দরকার। পাশাপাশি বিভিন্ন দেশে নিযুক্ত কমার্শিয়াল কাউন্সিলরদের আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন ও ব্যবসায়ীদের সহযোগিতার প্রয়োজন।