সীন্দবাদ ডেক্স : পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ৮ হাজার থেকে বাড়িয়ে সাড়ে ১২ হাজার টাকা ঘোষণা করার ফলে পোশাক উৎপাদনে ব্যয় বাড়ে। বাড়তি এ উৎপাদন ব্যয় মেটাতে কয়েকটি বিদেশি ক্রেতাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা তৈরি পোশাকের দাম বাড়ানোর আশ্বাস দিয়েছেন।
বুধবার (১৫ নভেম্বর) রাজধানীর উত্তরায় তৈরি পোশাকশিল্পের মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর কার্যালয়ে বিজিএমইএর সভাপতি ফারুক হাসানের সভাপতিত্বে শীর্ষস্থানীয় পোশাক ব্র্যান্ডগুলোর প্রতিনিধিদের সংগঠন বায়ার্স ফোরামের সদস্যদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
এইচঅ্যান্ডএম, মার্কস অ্যান্ড স্পেনসার, ডেকাথেলন, নেক্সট সোর্সিং, জিইএমও, সেলিও, কনতুর, আলডি, সলস, আউচানসহ বেশ কয়েকটি ব্র্যান্ডের এদেশীয় প্রধান অথবা প্রতিনিধিরা বৈঠকে অংশ নেন। বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন বিজিএমইএর সহসভাপতি শহিদউল্লাহ আজিমসহ আরো অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।
ফারুক হাসান বলেন, মজুরি নিয়ে শ্রমিকদের আন্দোলনের বিষয়ে আমরা ক্রেতাদের বুঝিয়েছি। আন্দোলনের কারণে যেসব কারখানা সময়মতো পণ্য জাহাজীকরণ করতে পারেনি, তাদের মূল্যছাড় কিংবা ক্রয়াদেশ বাতিলের মতো ব্যবস্থা না নিতে আমরা ক্রেতাদের অনুরোধ করেছি। তাঁরা আমাদের আশ্বাস দিয়েছেন, এ ধরনের কোনো ব্যবস্থা নেবে না।
ফারুক হাসান আরও বলেন, গত কয়েক মাসে গ্যাস-বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি ও সাম্প্রতিক সময়ে শ্রমিকের মজুরি বৃদ্ধির কারণে কারখানার উৎপাদন ব্যয় বেড়ে গেছে। এ জন্য ক্রেতাদের আমরা পোশাকের দাম সমন্বয়ের অনুরোধ করেছি। বৈঠকে উপস্থিত ক্রেতাদের মধ্যে কয়েকজন প্রতিনিধি পোশাকের দাম সমন্বয়ের আশ্বাস দিয়েছেন। যদিও উপস্থিত ক্রেতাদের কেউ কেউ এ বিষয়ে চুপ ছিলেন।
ক্রয়াদেশ দেওয়ার ক্ষেত্রে বায়ার্স ফোরামের সদস্যরা কিছুটা উদ্বেগ জানিয়েছেন। এ ক্ষেত্রে বিজিএমইএ বলেছে, তৈরি পোশাক খাত বরাবরই রাজনৈতিক কর্মসূচির বাইরে ছিল। আশা করছি এবারও তার ব্যতিক্রম হবে না।







