সীন্দবাদ ডেস্ক :: দেশের অগ্রযাত্রায় গর্বিত অংশীদার বাংলাদেশ কাস্টমস। প্রতিবছরের ন্যায় এবারও বাংলাদেশসহ ওয়ার্ল্ড কাস্টমস অর্গানাইজেশনের (ডব্লিউসিও) সদস্যভুক্ত ১৮৪ টি দেশে দিবসটি পালিত হয়। বিশ্ব কাস্টমস সংস্থার সদস্য দেশ হিসেবে বিশ্বের অন্যান্য দেশের কাস্টমস পরিবারের সাথে একাত্মতা ঘোষণা করে বাংলাদেশ কাস্টমস পরিবারও ব্যাপক উৎসাহ, উদ্দীপনা ও উৎসবমুখর পরিবেশে বিভিন্ন অনুষ্ঠান আয়োজনের মাধ্যমে দিবসটি উদযাপন করে।
শুক্রবার (২৬ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক কাস্টমস দিবস উপলক্ষ্যে সকালে কাস্টম হাউস, চট্টগ্রাম এর অডিটরিয়ামে একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য “Customs Engaging Traditional and New Partners with Purpose” অর্থাৎ ‘মিলে নবীন-পুরনো অংশীজন, কাস্টমস করবে লক্ষ্য অর্জন’। নবীন পুরানের মেলবন্ধনে লক্ষ্য অর্জনই এবারের কাস্টমস দিবসের মূল চেতনা।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি জনাব ড. মইনুল খান, সম্মানিত সদস্য (মূসক: বাস্তবায়ন ও আইটি), জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, তাঁর বক্তব্যে স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনে স্মার্ট জনবলের গুরুত্ব তুলে ধরেন। এ প্রক্রিয়ায় সরকারি, বেসরকারি, ব্যবসায়ী সকল স্তরের জনবলের সম্পৃক্ততার আহ্বান জানান। ব্যবসা বান্ধব পরিবেশ সৃষ্টির মাধ্যমে দেশ উন্নত হবে মর্মে অভিমত ব্যক্ত করে সেবার মান বৃদ্ধির মাধ্যমে রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের গুরুত্ব আরোপ করেন।
আবিদা মুস্তাফা, ভারপ্রাপ্ত সভাপতি, চট্টগ্রাম উইম্যান চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি, তাঁর বক্তব্যে অর্থনৈতিক উন্নয়নে নারীদের অংশগ্রহণের গুরুত্ব তুলে ধরে তাঁকে আমন্ত্রণ করার জন্য কাস্টম হাউস, চট্টগ্রামকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
এম.এ মাহবুব চৌধুরী, সহ- সভাপতি, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্টি, তাঁর বক্তব্যে সর্বাধিক রাজস্ব আহরণে কাস্টম হাউস, চট্টগ্রামের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সার্বক্ষণিক করদাতা সেবা নিশ্চিতের বিষয়টি তুলে ধরে উন্নয়নের জন্য রাজস্ব আহরণে সংশ্লিষ্ট সকলকে সহযোগিতার আহবান জানান।
এ.কে.এম আকতার হোসেন, ডিরেক্টর, দি চিটাগং চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্টি তাঁর বক্তব্যে বাণিজ্য সহজীকরণ ও সম্প্রসারণে বাংলাদেশ কাস্টমস এর ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং স্টেকহোল্ডারদের সাথে সম্পর্ক জোরদারকরণে গুরুত্ব আরোপ করেন।
মোঃ শাহাদাৎ হোসেন শিকদার, কর কমিশনার, (কর অঞ্চল-১) চট্টগ্রাম, করের আওতা ও পরিধি বাড়াতে নবীন পুরনো অংশীজনদের প্রতি অনুরোধ জানান ।
অনুষ্ঠানের সমাপনী বক্তব্যে সভাপতি জনাব সুরেশ চন্দ্র বিশ্বাস, মহাপরিচালক, কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট ট্রেনিং একাডেমি, চট্টগ্রাম বলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুত ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ গড়ার জন্য সর্বাগ্রে প্রয়োজন “স্মার্ট জনবল”। গর্বিত আগামীর নেতৃত্বদানের জন্য পূর্ণাঙ্গ অটোমেশন, কর্মকর্তাদের পেশাগত জ্ঞান ও গৌরবের সংস্কৃতির পারস্পরিক বিনিময় ও প্রসারের মাধ্যমেই তৈরি হবে আগামীর স্মার্ট কাস্টমস। পরিশেষে সভাপতি মহোদয় সবাইকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।
অনুষ্ঠানে জনাব মোহাম্মদ ফাইজুর রহমান, কমিশনার, কাস্টম হাউস, চট্টগ্রাম উপস্থিত সবাইকে স্বাগত জানিয়ে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করেন। অতঃপর তথ্যচিত্র পরিবেশনা পরবর্তী সময়ে জনাব সৈয়দ মুসফিকুর রহমান, কমিশনার, কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট, চট্টগ্রাম দিবসটির মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনা করেন। জনাব মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন, কমিশনার, কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট (আপীল) কমিশনারেট মূল প্রবন্ধের উপর আলোচনা করেন। আলোচনায় তিনি রাজস্ব আহরণে কাস্টম হাউস, চট্টগ্রামের গুরুত্ব তুলে ধরে সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন জনাব ড. মইনুল খান, সম্মানিত সদস্য (মূসক: বাস্তবায়ন ও আইটি), জাতীয় রাজস্ব বোর্ড। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন, কমিশনার, কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট (আপীল) কমিশনারেট, চট্টগ্রাম; জনাব সৈয়দ মুসফিকুর রহমান, কমিশনার, কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট, চট্টগ্রাম; জনাব মোঃ শাহাদাৎ হোসেন শিকদার, কর কমিশনার, অঞ্চল-১) চট্টগ্রাম; জনাব এ.কে.এম আকতার হোসেন, ডিরেক্টর, দি চিটাগং চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি; জনাব এম.এ মাহবুব চৌধুরী, সহ- সভাপতি, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি এবং জনাব আবিদা মুস্তাফা, ভারপ্রাপ্ত সভাপতি, চট্টগ্রাম উইম্যান চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি। এছাড়াও কাস্টমসের বিভিন্ন অংশীজন, সরকারি কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দসহ সিএন্ডএফ এজেন্ট, শিপিং এজেন্ট প্রতিনিধি এবং বিশিষ্ট ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।







