সীন্দবাদ ডেস্ক :: ফিলিস্তিনি ও ইসরায়েল যুদ্ধকে কেন্দ্র করে সমুদ্র পথগুলো হয়ে উঠেছে অনিরাপদ। এসুযোগে এবার সোমালিয়ার জলদস্যুদের হাতে বাংলাদেশি জাহাজসহ ২৩ জন নাবিক জিম্মি। জলদস্যুদের পক্ষ হতে যেকোন সময় যোগাযোগ করা হতে পারে।
বৃহস্পতিবার ( ১৪ মার্চ) পরবাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নৌপরিবহন অধিদফতরের মহাপরিচালক মুহাম্মদ মাকসুদ আলম এমন তথ্য জানান। সবশেষ জিম্মি জাহাজটি সোমালিয়ার উপকূলের কাছে নোঙ্গর করা বলে জানা যায়।
বাংলাদেশ মার্চেন্ট মেরিন অঠিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএমওএ) সাধারণ সম্পাদক মো: শাখাওয়াত হোসেন জানান, আন্তর্জাতিক মিপিং সোর্স থেকে জাহাজের অবস্থানের ছবি পাঠানো হয়। বাংলাদেশের সময় ভোর ৬টায় তোলা ছবিতে জাহাজটি সোমালিায়ার গারাকাদ বন্দর হতে ৭২ নটিক্যাল মাইল দুরে নোঙ্গর করা অবস্থায় দেখা যায়।
এদিকে কাতার ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা বলছে, হামাস ও ইসরায়েলের যুদ্ধের বলির পাঁঠা হয়েছে বাংলাদেশি ২৩ নাবিক ও বাংলাদেশি জাহাজটি।
গেছে মঙ্গলবার (১২ মার্চ) বাংলাদেশি মালিকানাধীন জাহাজ এমভি আব্দুল্লাহ ছিনতাই করে সোমালিয়ার জলদস্যুরা। সোমালিয়া হতে প্রায় ৫৫০ নটিক্যাল মাইল দুরে ভারত মহাসাগরে ২৩ বাংলাদেশি নাবিকসহ জাহাজটি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয় দস্যুরা।
এডেন উপসাগর ও লোহিত সাগরে ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্যের জাহাজ লক্ষ্য করে একের পর এক হামলা শুরু করে। এরপর হতে আন্তর্জাতিক পরাশক্তিগুলো সব নজর দেয় ওই অঞ্চলে। এদিকে অন্যান্য সামুদ্রিক পথগুলো অনিরাপদ হয়ে ওঠে। আর এ সুযোগকে কাজে লাগিয়েই বাংলাদেশি জাহাজটি ছিনতাই করতে সমর্থ হয় সোমালিয়ার জলদস্যুরা।
২০০৮ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত ভারত সাগরে সোমালি দস্যুদের ব্যাপক উৎপাত ছিল। তখন নিরাপত্তা নিশ্চিতে ওই অঞ্চলে যুদ্ধজাহাজসহ অন্যান্য শক্তি মোতায়েন করে আন্তর্জাতিক পরাশক্তিগুলো।
কিন্তু হুথিদের হামলা শুরু হওয়ার পর সবকিছু ওইদিকে নিয়ে যাওয়া হয়।







