সীন্দবাদ ডেস্ক : খাদ্য আমদানিকারক দেশগুলোর মধ্যে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। বিশ্ব খাদ্য ও কৃষিবিষয়ক বার্ষিক পরিসংখ্যান পুস্তিকা ২০২৩-এ এমন তথ্য জানায় জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও)। এই তালিকায় সবার শীর্ষে চীন। দ্বিতীয় অবস্থানে আছে ফিলিপাইন।
প্রতিবেদনের তধ্য অনুযায়ী, বিশ্বব্যাপী গড়ে প্রতিটি ব্যক্তি প্রতিদিন ২ হাজার ৯৭৮ ক্যালরি গ্রহণ করে। এশিয়ায় এই গড় ২ হাজার ৯৩১ ক্যালরি। আর বাংলাদেশের মানুষ মাথাপিছু ২ হাজার ৬১৪ ক্যালরি গ্রহণ করে।
এফএও‘র প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২১ সালে বাংলাদেশ প্রায় ৯ কোটি ৩৩ লাখ টন কৃষিপণ্য উৎপাদন করেছে। একই বছর বিশ্ববাজার থেকে প্রায় ১ কোটি ২৫ লাখ টন খাদ্যপণ্য আমদানি করে বিশ্বের মধ্যে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। খাদ্য আমদানিতে ব্যয়ের সবচেয়ে বড় অংশ দখল করে আছে গম, ভোজ্যতেল ও গুঁড়ো দুধ।
বিশ্বের প্রধান ছয়টি খাদ্যপণ্যের মধ্যে বাংলাদেশ শুধু চাল উৎপাদনে তৃতীয় অবস্থানে আছে। বাকি প্রধান কৃষিপণ্যগুলোর মধ্যে গম, ভুট্টা, চিনি, ভোজ্যতেল ও আলু উৎপাদনে শীর্ষ পাঁচ দেশের মধ্যে নেই বাংলাদেশের নাম। বিগত বছরগুলোতে বাংলাদেশ প্রথম চারটি পণ্য আমদানি করত। বাংলাদেশ আলু রপ্তানি করলেও চলতি বছর আলুর দাম হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় আলু আমদানিকারক দেশের তালিকায় ঢুকেছে বাংলাদেশের নাম।
২০১০ সালে বাংলাদেশ তার মোট খাদ্য চাহিদার ৯.৩ শতাংশ আমদানি করেছিল এবং ২০২২ সালে তা বেড়ে পৌঁছায় ১১.২ শতাংশে। এই সময়ের মধ্যে বাংলাদেশে চাল, গম ও ভোজ্যতেলের আমদানি বেড়েছে। কিন্তু ডলার সংকটের কারণে এ বছর খুব কম চাল আমদানি করা হয়েছে। গম আমদানিও স্বাভাবিক পরিমাণ থেকে ৩০ শতাংশ কমেছে।
তবে ২২টি কৃষিপণ্য উৎপাদনে বিশ্বের শীর্ষ ১০ দেশের তালিকায় স্থান পেয়েছে বাংলাদেশ। এর মধ্যে চাল, মসুর ডাল, আলু, পেঁয়াজ, চায়ের মতো পণ্য যেমন রয়েছে, তেমনি রয়েছে বিভিন্ন ধরনের ফল। গত এক দশকে কুমড়া, ফুলকপি ও সমজাতীয় সবজির মতো কিছু পণ্য উৎপাদনে বাংলাদেশ শীর্ষ তালিকায় নতুন করে যুক্ত হয়েছে।







