সীন্দবাদ ডেস্কঃ দেশের বিভিন্ন স্থানে গড়ে ওঠা অর্থনৈতিক অঞ্চলে নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহের দাবি জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। তারা বলেন, অর্থনৈতিক অঞ্চল বা ইপিজেএডকে অন্য অঞ্চলের সঙ্গে তুলনা করলে চলবে না। ইকোনমিক জোন আছে। কিন্তু এর আউটসাইটে ডেভেলপ করতে হবে। বিমানবন্দরের উন্নতি করতে হবে।

সোমবার (১৩ মার্চ) এফবিসিসিআই আয়োজিত বাংলাদেশ বিজনেস সামিটের সমাপনী দিনে এক সেমিনারে ব্যবসায়ীরা এই দাবি জানান।

আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশের (অ্যামচেম) সৈয়দ এরশাদ আহমেদ বলেন, ওয়ার হাউজের নিয়ম অনেক পুরোনো। কাস্টমস এবং ওয়ারহাউজের আইন অন্যান্য দেশের মতো সংস্কার করে আধুনিক করতে হবে। ইকোনমিক জোন আছে। কিন্তু এর আউটসাইটে ডেভেলপ করতে হবে। বিমানবন্দরের উন্নতি করতে হবে। এতে রাজস্ব আয়ও বাড়বে।

এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি কাজী আকরাম উদ্দিন বলেন, অর্থনৈতিক অঞ্চল বা ইপিজেডকে অন্য অঞ্চলের সঙ্গে তুলনা করলে চলবে না। অর্থনৈতিক অঞ্চলে গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে হবে। ব্যাক ওয়ার্ড লিংকেজ প্রোডাক্টে বিনিয়োগ আনতে হবে বলে পরামর্শ দেন।

স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের এমডি এনামুল হক বলেন, ক্যাশলেস সোসাইটি এরমধ্যে অন্যতম একটি, যা আমাদের অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যাবে। ফরেন কারেন্সি রেগুলারেটরি অনেক দীর্ঘমেয়াদি।

বাংলাদেশ সাপ্লাই চেইন সোসাইটির সিইও নকিব খান বলেন, ১০ লাখ কর্মসংস্থান তৈরি হবে ১০০ অর্থনৈতিক অঞ্চলে। আমাদের জন্য সাপ্লাই চেইন এখন বড় চ্যালেঞ্জের। এই খাতে আমাদের অনেক বিনিয়োগ করতে হবে। লজিস্টিক সাপোর্টেও বিনিয়োগ বাড়াতে পরামর্শ দেন তিনি।