সীন্দবাদ ডেস্কঃ মার্কিন আমদানিকৃত তুলার বাধ্যতামূলক ফিউমিগেশন শর্তসাপেক্ষে শিথিল করেছে বাংলাদেশ। পশ্চিম গোলার্ধে উৎপাদিত ও প্যাকিং হওয়া কাঁচাতুলা রফতানিকারক দেশের স্যানিটারি ও ফাইটোস্যানিটারি (এসপিএস) এবং বোল উইভিল-মুক্ত সনদ দাখিল সাপেক্ষে আমদানি করা যাবে। অর্থাৎ ফিউমিগেশনের বাধ্যতা থাকবে না। তবে এর অন্যথা হলে ফিউমিগেশন বাধ্যতামূলক হবে।

গত রোববার (১৯ ফেব্রুয়ারি) এক সরকারি গেজেটে এ আদেশ দেয়া হয়। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় আমদানি ও রফতানি (নিয়ন্ত্রণ) আইন ১৯৫০ অনুযায়ী এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

পশ্চিম গোলার্ধ বলা হলেও এই অঞ্চলের যুক্তরাষ্ট্র থেকে তুলা আমদানি করে থাকে বাংলাদেশ। অন্যদিকে ফিউমিগেশন হলো তুলায় থাকা কীটপতঙ্গ, উইপোকা বা অন্য ক্ষতিকারক জীবকে হত্যা করার পদ্ধতি। সাধারণত রফতানি পণ্য প্যাকিংয়ের জন্য কাঠের উপকরণ ব্যবহার হলে প্রি-শিপমেন্ট ফিউমিগেশন প্রযোজ্য হয়।

বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফিউমিগেশন শিথিলে অনেক দিন ধরে কথা হচ্ছে। আমদানিকৃত তুলার দেশের আসার পর ফিউমিগেশন ও ক্লিয়ারেন্স কমপক্ষে পাঁচ দিন প্রয়োজন। এর সঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দরে পণ্য জটের কারণের প্রতি বেল তুলার দামে ৩-৪ সেন্ট অতিরিক্ত মূল্য যুক্ত হয়। যা সংশ্লিষ্ট ব্যবসার ওপর ভীষণভাবে প্রভাব ফেলে।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাংলাদেশের মোট তুলার চাহিদার প্রায় নয় শতাংশ যুক্তরাষ্ট্র পূরণ করে। ফিউমিগেশন চেক উঠে গেলে তা ২০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে। যুক্তরাষ্ট্রও দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশকে দুইবার ফিউমিগেশনের প্রয়োজনীয়তা প্রত্যাহারের জন্য অনুরোধ করে আসছিল।