সীন্দবাদ ডেস্কঃ এনবিআরের চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম বলেন, মানি লন্ডারিং ও কর ফাঁকি দিতেই এইচএস কোডে ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল করা হয়। এসব ভুলের ক্ষেত্রে জরিমানা ও শাস্তির বিধানে শক্ত হওয়া দরকার।

০৫ মার্চ, রবিবার বিকালে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সঙ্গে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) প্রাক-বাজেট আলোচনায় এসব কথা বলেন তিনি। এসময় এইচএস কোডের বিষয়ে ব্যবসায়ীদের সতর্ক হওয়ার আহ্বানও জানান তিনি।

এদিন সকালে কৃষি ও সেবা খাতের ১৪টি সংগঠনের সঙ্গে আলোচনা হয় এনবিআরের। বাজেট আলোচনায় আরো উপস্থিত ছিলেন এনবিআরের সদস্য মো. মাসুদ সাদিক, জাকিয়া সুলতানা, ড. সামস উদ্দিন আহমেদ প্রমুখ।

এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমদানির পর এইচএস কোড নির্ধারণে কাস্টমসের হয়রানির অভিযোগ শুনি। এখানে জরিমানার পরিমাণও অনেক বেশি হওয়ার সমালোচনা হয়। কিন্তু এ বিষয়ে রাজস্ব বোর্ডের ধারণা ভিন্ন। কারণ সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট, আমদানিকারক ও কারখানার যেসব কর্মী কাস্টমস অপারেশনের সঙ্গে জড়িত তারা আইন খুব ভালো করে জানেন। এক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের মালিক আনাড়ি হলেও তিনি দক্ষ লোকজনকে এ প্রক্রিয়ায় সম্পৃক্ত করেন। তাই আমদানির ক্ষেত্রে যে ভুল ঘোষণা দেয়া হয় সেটা অনিচ্ছাকৃত নয়। আর এসব বিষয়ে জানানোর জন্য সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট ও স্টেকহোল্ডারদের আমরা প্রতিনিয়ত ট্রেনিংও দিয়ে থাকি। এছাড়া আমদানির আগেও আমাদের অ্যাডভান্স রুলিংয়ের প্রক্রিয়া আছে, সেখান থেকে পণ্যের এইচএস কোড সংশোধন ও সঠিক কিনা জেনে নেয়ার সুযোগ রয়েছে।’

ডিসিসিআইয়ের পক্ষে প্রস্তাব তুলে ধরেন সভাপতি ব্যারিস্টার মো. সামির সাত্তার। তিনি প্রস্তাবে লিস্টেড ও নন-লিস্টেড কোম্পানির মধ্যকার করহারের ব্যবধান কমানোর পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে ব্যবসাকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে নন-লিস্টেড কোম্পানির করপোরেট করের হার আরো ২ দশমিক ৫ শতাংশ কমানোর দাবি তোলেন।